বায়তুল মোকাররমে মুসল্লিদের ঢল

বৃষ্টি উপেক্ষা করে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে ঈদুল ফিতরের প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকাল ৭টায় অনুষ্ঠিত এই জামাতে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মুফতি মুহিবুল্লাহিল বাকী নদভী। মোনাজাতে দেশ-জাতির মঙ্গল কামনায় আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা হয়। নামাজ শেষে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা কোলাকুলি ও ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। |আরো খবর বিরতি কাটিয়ে ফের ক্যামেরার সামনে সুমাইয়া শিমু রিকশাচালকদের চায়ের আমন্ত্রণ মেয়রের গোপনে চবি’র সেমিনারে অংশ নিলেন জামায়াতের আমীর! এরপর সকাল আটটায় দ্বিতীয় জামায়াত অনষ্ঠিত হয়। তবে মুষলধারে বৃষ্টি নামায় ভোগান্তিতে পড়েন মুসল্লিরা। বায়তুল মোকররমে তৃতীয় জামাত সকাল ৯টা, চতুর্থ জামাত সকাল ১০টা এবং পঞ্চম ও সবশেষ জামাত সকাল পৌনে ১১টায় অনুষ্ঠিত হবে।

তৃতীয় জামাতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক ড. মাওলানা মুশতাক আহমাদ, চতুর্থ জামাতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুহাদ্দিস মাওলানা ওয়ালীয়ূর রহমান খান এবং পঞ্চম ও সর্বশেষ জামাআতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সহকারী পরিচালক মাওলানা জুবাইর আহাম্মদ আল আযহারী ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। এদিকে জাতীয় ঈদগাহের প্রবেশপথে বসানো হয়েছে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। একাধিক নিরাপত্তা বেষ্টনীতে তল্লাশি শেষে সারিবদ্ধ ভাবে ঈদগাহ ময়দানে প্রবেশ করছেন মুসল্লিরা। পুরুষের পাশাপাশি কয়েক হাজার নারীও এখানে নামাজ আদায় করবেন। পুরো এলাকা সিসি ক্যামেরার পাশাপাশি এসএসএফ, পুলিশ, র‌্যাব ও গোয়েন্দা সংস্থার নজরদারিতে রয়েছে। জাতীয় ঈদগাহে যারা গাড়ি নিয়ে নামাজ পড়তে যাবেন, তাদের গাড়ি রাখার জন্য মৎস্য ভবন থেকে শাহবাগ, ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের ভেতরে, শিল্প একাডেমির সামনের রাস্তা, দোয়েল চত্বরে ব্যারিকেডের বাইরে, ফজলুল হক হলের ব্যারিকেডের বাইরে ও প্রেসক্লাব লিংক রোড ব্যারিকেডের বাইরে স্থান নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। জাতীয় ঈদগাহ ছাড়াও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ব্যবস্থাপনায় ৩০২টি স্থানে এবার ঈদের জামাত হবে। অন্যদিকে, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৫৭টি ওয়ার্ডে ২২৮টি জামাতের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকার প্রতিটি ওয়ার্ডে পাঁচটি করে জামাত হবে। স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলররা এসব জামাতের ব্যবস্থাপনায় থাকবেন। ঈদ জামাত ঘিরে জাতীয় ঈদগাহের নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নিয়েছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। ঈদগাহ ময়দানে নেওয়া হয়েছে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। নামাজ পড়তে যাওয়ার সময় জায়নামাজ ও ছাতা ছাড়া অন্য কিছু সঙ্গে না নিতে মুসল্লিদের পরামর্শ দিয়েছে ঢাকার মহানগর পুলিশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *